free invisible hit counter

The flames of fire in the sky of England

A strange flame has suddenly emerged in the sky of England! From the researcher, none of the expert palace could understand. What an object! Plane, or Superman, or any other suspicious object? Now in the Queen’s country after Corona, this is the thought of the fold.

“The numbers are very stark, and they are accelerating. We are only a matter of weeks – two or three – behind Italy,” he said. Military planners have also been called in to help with localised support systems to ensure vulnerable people self-isolating at home can have basic groceries and healthcare delivered.

Elsewhere, South Korea reported 98 more cases of coronavirus on Sunday, taking the total to 8,897 while in China, 46 new infections have been confirmed over the previous 24 hours, 45 of them coming from overseas. All eyes continue to remain on east Asia in fear of a second wave of infections.

The flames of fire in the sky of England

ইংল্যান্ডের আকাশে আগুনের ফুলকি!

ইংল্যান্ডের আকাশে হঠাৎ উদয় হয়েছে অদ্ভূত আগুনের ফুলকি! গবেষক থেকে বিশেষজ্ঞ মহলের কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না। কী এই বস্তু! প্লেন, নাকি সুপারম্যান, নাকি অন্য কোনও সন্দেহজনক বস্তু? রানীর দেশে এখন করোনার পর এই নিয়েই চিন্তার ভাঁজ।

কেম্ব্রিজশায়ারের মানুষজনও প্রথমে কিছুটা চমকে গিয়েছিলেন। কী এই বস্তু? অলীক এই বস্তুর পিছনের দিকে আবার ধোঁয়ার একটি লেজও রয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের রিপোর্ট অনুযায়ী, বস্তুটি সর্ব প্রথম লক্ষ্য করেন গেরি আন্ডারউড নামের এক ব্যক্তি। আকাশে তারা খসাও দেখেছেন গেরি। কিন্তু এমন অদ্ভুত লালচে আভা এর আগে কখন তিনি চাক্ষুষ করেননি। তাই দেখা মাত্রই তাজ্জব বনে যান। তার আরও অনুসন্ধান যে, ওই লালচে আভা যেন মনে হচ্ছিল ঘুরছে।

তবে বেশ কিছুক্ষণ আকাশে ভেসে থাকার পরই গেরির চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে যায় রহস্যজনক এই বস্তুটি। তবে গেরি বললেন, উল্কাও খুব তাড়াতাড়িই প্রায় সেকেন্ডের মধ্যেই বিলীন হয়ে যায়। কিন্তু কী এমন এই রহস্যজনক বস্তু, যা ১০-২০ মিনিট লাগাতার আকাশে ভেসে থাকার পর হারিয়ে গেল!

তবে ছবি দেখে যা বোঝা যাচ্ছে তা হলো বস্তুটি আকারে বেশ বড়ই। যদিও এখনও অবধি কোনওভাবেই জানা যাচ্ছে না যে, বস্তুটি আদতে ঠিক কী?

সংবাদমাধ্যম দ্যা এক্সপ্রেস ইউকে রিপোর্টে উল্লেখ করছে, “ন্যাশনাল স্পেস একাডেমি এখন একটি সম্ভাব্য তত্ত্বের প্রস্তাব দিয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে যে এই পুচ্ছ বস্তুটি একটি উচ্চ উচ্চতার জেটের নিচের দিকের অংশ।”

তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন যে, যে কমলা রঙের শিখা দেখা যাচ্ছে তা সূর্যরশ্মির প্রতিফলনও হতে পারে। পাশাপাশিই তাদের আরও বক্তব্য, সূর্যাস্তের সময়ই দেখা মিলতে পারে এই অদ্ভূত বস্তুর। আর ওই গতি হাওয়ার গতির কারণে হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *